"ইচ্ছে থাকলে উপায় হয়" বলে বাংলা প্রবাদ আছে। এবার এই প্রবাদের বাস্তব প্রমাণ দেখালন ফরিদপুরের মধুখালী র পদ্মা তীরের এক কিশোর।দীর্ঘদিন মনের ভিতরে পুষে রাখা স্বপ্ন বাস্তবায়ন করে দেখালন।
পানির উপর সৌরবিদ্যুতের সাইকেল চালিয়ে পাড়ি দিলেন পদ্মা নদী।
ফরিদপুরের মধুখালীর ছেলে সাইকেল চালিয়ে পাড়ি দিলেন পদ্মা নদী!
দীর্ঘ প্রচেষ্টায় পর অবশেষে নিজের তৈরি সাইকেল চালিয়ে পদ্মা নদী পাড়ি দিলেন সাইফুল।সাইফুলের বাড়ি ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার পাইকপাড়া গ্রামে। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সৌর শক্তি আলোর সালথা উপজেলা শাখার ব্যবস্থাপক তিনি।দীর্ঘ ছয় মাস চেষ্টা চালিয়ে সৌরবিদ্যুৎ চালিত এ সাইকেলটি তৈরি করেন সাইফুল ইসলাম। এটি জল-স্থলে চলতে পারে। বলা যায়, উভচরে চলে সাইফুলের সৌরবিদ্যুৎ চালিত সাইকেল।সাইফুলের তৈরি সাইকেলের হ্যান্ডেল ও ক্যারিয়ারে সৌর বিদ্যুতের প্যানেল। দুই চাকার দুই পাশে চারটি গোলাকার টিউব। টিউবের সাহায্যে সাইকেলটি পানিতে ভেসে থাকে। সাইকেল চালাতে প্যাডেল ব্যবহার করতে হয় না। কারণ, এটি সৌরবিদ্যুতে চলে। শুধু পানিতে নয়, স্থলপথেও সাইকেলটি চালানো যায়। তখন টিউব চারটি চাকার দুই পাশে আটকে রাখা হয়।সাইকেলটি তৈরি করতে খরচ হয়েছে ২০ হাজার টাকার মতো। সময় লেগেছে ছয় মাস। বর্তমানে সৌরবিদ্যুৎ চালিত ধান কাটার যন্ত্র ও রিকশা চালানোর যন্ত্র আবিষ্কারের চেষ্টা করছেন সাইফুল। পাশাপাশি ১৫ জন ধারণক্ষমতার সৌরচালিত স্পিডবোট বানানোর চেষ্টা করছেন তিনি।যা জলের পাশাপাশি ডাঙায়ও চলবে। তার এ আকাশ চুম্বি স্বপ্ন বাস্তবায়নে সরকারি তৎপরতা আশা করেছেন তিনি।
আধুনিক সাথে তালমিলিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ।সাফল্য আর সমৃদ্ধিতে ভরপুর সোনার বাংলা।হয়তো একটু পিছিয়ে কিন্তু বিশ্বের সাথে তালমিলিয়ে জ্ঞান বিজ্ঞানের সমৃদ্ধি আর অগ্রগতির লক্ষে কাজ করে যাচ্ছে দেশ। সোনার বাংলার সোনার সন্তানেরা প্রায়শই তাক লাগিয়ে দিচ্ছে তাদের অনেক অভাবনীয় কর্মকাণ্ডে। বাংলার দামাল ছেলেদের মাঝেও যে আকাশ চুম্বি প্রতিভা সুপ্ত আছে তার প্রমাণ প্রায়ই মেলে তাদের অবাক করা কর্মকাণ্ডে। শুধু সঠিক তত্ত্বাবধান আর উদাসীনতার ফলে নতুন প্রজন্মের আইনস্টাইন গুলো হারিয়ে যাচ্ছে ইতিহাসের আড়ালে। এসব দামাল ছেলেদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশ করতে জাতীয় ভাবে একত্র ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করা উচিত। তবেই নব প্রজন্মের মাঝে আমরা আবারও খুঁজে পাবো কোনো না কোনো আইনস্টাইন নিউটন কে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন