সম্প্রতি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি নিয়ে শিক্ষামন্ত্রণালয়ের টালবাহানায় ক্ষিপ্ত দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ঢাবি শিক্ষার্থীরা।
করোনা.! করোনা.!! করোনা.!!!
চল'ছে শিল্পকা'রখানা,চলছে যান'বাহন,চলছে কেনা বেচা থেমে নেই কিছুই, থেমে আ'ছে শুধু আগামীর সো'নালী ভবি'ষ্যৎ।দে'শের সকল কার্যক্রম অব্যাহত থাকলেও দীর্ঘ ১৫ মাস যাবৎ বন্ধ রয়ে'ছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।সরকারি সিদ্ধান্ত মোতাবেক শিক্ষার্থীরাও ঘরে ব'সে।ঘরে বসে বল'লেও ভুল হবে।স্কুল, কলেজ, বিশ্ববি'দ্যালয় ও মাদ্রাসা এ না যেতে পারলেও পার্ক,রিসোর্ট গুলোতে কিন্তু কমছে না ভিড়। এ'রই মধ্যে ঝড়ে পড়েছে দেশের হাজার হাজার সো'নালী ভবিষ্যৎ।বসে খাওয়া আর কত!!মা বাবার কর্ম জীবনে একটু সাথী হতে এখন তারাও ছুটছে শিল্প কারখা'নার পেছনে। অনে'ক পিতা মাতাও এখন হাল ছেড়ে দিয়েছে। যাই হোক এসব সুখ দুঃখে এখন জেগে উঠেছে বিশ্ব বিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা।
দীর্ঘ'দিন মান'নীয় শিক্ষা'মন্ত্রী ঘোষ'ণা মেনে শিক্ষা প্রতি'ষ্ঠান থেকে দূরেই থাক'ছিলেন শিক্ষা'র্থীরা। কিন্তু শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের
এই ঘরে থাকা নীতি আর ভালো'ভাবে নিচ্ছেনা শিক্ষার্থীরা। ইতোমধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা নিিয়ে আন্দোলনের ডাক দিয়েছেেন ঢাকা বিশ্ববি'দ্যালয় অধিনস্ত সাত কলেজ এর শিক্ষা'র্থীরা।তারা যেকো'নো মূল্যে অবিলম্বে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার দাবি জানি'য়েছে।অন্যথায় রাজপ'থে নেমে রাজপথ অচল করে দেওয়া'র হুম'কি দিয়ে'ছে শিক্ষা'র্থীরা। তাছাড়া তারা বর্তমান শিক্ষা ব্যাবস্থার প্রতি ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া প্রদর্শন করেছে।
এর আগে মান'নীয় শিক্ষা'মন্ত্রী তার এক ভাষণে বলেন,"যদি করোনা শনাক্তের হার ৫% এ না নেমে আসে তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হবে না।" আর ও বলেছেন অভিভাবকরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান না খো'লার পক্ষে। মন্ত্রীর এসব মন্তব্যের তীব্র সমা'লোচনা করেন ঢাবি অন্তর্ভুক্ত এসব শিক্ষার্থীরা।এমন কি মাননীয় মন্ত্রীর বক্তব্যের নড়চড় এর জন্য ক্ষুব্ধ হয়ে শিক্ষার্থীরা মাননীয় মন্ত্রীর শেচ্ছায় পদত্যাগ দাবি করে'ছেন। এমনকি শিক্ষা
ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানোর দাবি শিক্ষার্থী দের।তারা আর ও দায়ী করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয় কে। আর ও দাবি করেছ দেশের হাজারো উজ্জ্বল নক্ষত্র কালো মেঘের অন্তরালে হারিয়ে যাচ্ছে।শুধু মাত্র মানসিক বিকার গ্রস্থ হয়ে করোনা কালীন ঢাবির ১১ জন এবং বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৯ জন শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে বলে দাবি করেছে শিক্ষার্থীরা।তারা আর ও জানতে চেয়েছে যখন আত্মহত্যার জরিপের এই অবস্থা??তখন কত জন শিক্ষার্থী করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন??
অবিলম্বে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান না খুললে তারা বড় কর্মসূচির ঘোষণা দিবে বলে হুঁশিয়ারি করেছেন।
ইসলামি শিক্ষাব্যবস্থা মাদ্রাসা নিয়েও তারা উঠেপড়ে লেগেছে, গতবছর তারা বিভিন্ন নিয়ম নীতিমালা দিয়ে নিকটবর্তী মহলের সু পরার্শে ধর্মীয় শিক্ষাব্যবস্থা খুলে দিয়েছিলো কিন্তু সময়ের ব্যাবধানে আজ মাদ্রাসা মক্তব গুলো সরকারি ভাবে বন্ধ! কিন্তু কেন? এপ্রশ্নের জবাব কম বেশি সবারই জানা। (....?....)

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন